Image

ব্যাটসম্যানদেরই জেতানো উচিত ছিল, বলছেন তাসকিন

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ : 2 ঘন্টা আগেআপডেট: 29 মিনিট আগে
ব্যাটসম্যানদেরই জেতানো উচিত ছিল, বলছেন তাসকিন

ব্যাটসম্যানদেরই জেতানো উচিত ছিল, বলছেন তাসকিন

ব্যাটসম্যানদেরই জেতানো উচিত ছিল, বলছেন তাসকিন

শুরুটা করেছিলেন তাসকিন আহমেদ। জিম্বাবুয়ের ইনিংসের প্রথম তিন উইকেট তুলে নিয়ে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলেছিলেন বাংলাদেশের এই পেসার। ২৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা জিম্বাবুয়ে সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে পুরো ৫০ ওভার খেলেছে। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের সামনে ২৭২ রানের লক্ষ্য দাঁড় করায় তারা।

আবুধাবিতে সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৭২ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। উইকেটে বোলারদের জন্য খুব বেশি সহায়তা ছিল না। জিম্বাবুয়ের বোলাররাও বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের খুব বেশি বিপাকে ফেলতে পারেননি। এরপরও এমন ব্যাটিং ব্যর্থতার জন্য মূল দায়টা ব্যাটসম্যানদেরই দিচ্ছেন তাসকিন।

শনিবার ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের এই পেসার বলেন, ‘সত্যি বলতে, আজকে যেরকম পিচ ছিল, আমরাও তো বল করেছি, একটু এদিক-ওদিক হলেই কিন্তু পানিশড হচ্ছিলাম। জিম্বাবুয়ের সঙ্গে অন্তত ২৭০ অবশ্যই তাড়া করার মতো ছিল। ওদের কন্ডিশনে ওরা অস্ট্রেলিয়াকেও কঠিন সময়ের ভেতর দিয়ে নিয়েছে। কিন্তু এই কন্ডিশনে আমাদের আসলে তাড়া করা উচিত ছিল। আমরা আসলেই ভালো খেলিনি।’

বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে বড় কোনো জুটি না হওয়াকেই ম্যাচের অন্যতম turning point হিসেবে দেখছেন তাসকিন। ইনিংসের শুরুতে সৌম্য সরকার ও তানজিদ হাসান ৪৭ রানের জুটি গড়েছিলেন, যা ছিল বাংলাদেশের সর্বোচ্চ। ৩০ পেরোনো আরেকটি জুটি হয়েছে শুধু শেষ দিকে, নবম উইকেটে তাসকিন ও রিশাদ হোসেনের ৩২ রানের জুটি।

তাসকিন বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত আমরা একটাও জুটি গড়তে পারিনি। একটা জুটি হলেই খেলাটা বের হয়ে যেত। আমাদের ব্যাটিংয়ে প্রায়ই ভুল করা হয়। বোলিংয়ে তাও তো একটা ধারাবাহিকতা আছে। আসলে ব্যাটসম্যানদের (আজ) জেতানো উচিত ছিল, কিন্তু পারে নাই।’

চাপের মুখে দ্রুত ভেঙে পড়ার প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসার তাগিদও দিয়েছেন তাসকিন। তাঁর মতে, বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের স্কিল নিয়ে প্রশ্ন নেই; বরং ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জায়গায় ঘাটতি রয়েছে।

তাসকিনের ভাষায়, ‘ম্যাচ পরিস্থিতি বুঝতে পারার ঘাটতিটা একটু বেশি। কারণ স্কিল কিন্তু সবার আছে। আপনারা যাঁরা ক্রিকেট খেলা দেখেন, প্রতিটি ব্যাটসম্যানই কিন্তু প্রমাণ করেছে, তারা ভালো ব্যাট করতে পারে। মাঝে মাঝে আমরা দল হিসেবে দেখবেন, চাপে পড়লে খুব দ্রুত ভেঙে পড়ি। এই জিনিসটাই আমাদের আসলে বের হয়ে আসতে হবে। বড় দল হতে চাইলে যেকোনোভাবে বের হয়ে আসতে হবে। আমি শিওর, এটা নিয়ে আমরা সবাই মিলে কাজ করছি, কীভাবে দ্রুত ঠিক করা যায়।’

হারের হতাশা থাকলেও এখনই আশা ছাড়ছেন না তাসকিন। বাংলাদেশের সামনে এখনো একটি ম্যাচ বাকি। সেই ম্যাচে ভালোভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ফাইনালের লড়াইয়ে ফিরতে চান তাঁরা।

তাসকিন বলেন, ‘এখনো একটা ম্যাচ বাকি আছে। আমরা চাইব যে ভালোভাবে লড়াই করে ফিরে এসে যেন ফাইনাল খেলতে পারি।’

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচে বল হাতে দারুণ শুরু করেও শেষ পর্যন্ত তাসকিনের সেই সাফল্য কাজে লাগাতে পারেনি বাংলাদেশ। ২৪ রানে ৩ উইকেট হারানো জিম্বাবুয়ে শেষ পর্যন্ত ২৭২ রানের লক্ষ্য দাঁড় করায়। জবাবে বাংলাদেশের ইনিংস থামে ১৭২ রানে। ব্যাটিংয়ে বড় জুটি গড়তে না পারা এবং চাপের সময়ে দ্রুত উইকেট হারানোই শেষ পর্যন্ত ম্যাচে বড় পার্থক্য গড়ে দেয়।

Details Bottom
Details ad One
Details Two
Details Three