হেডের রেকর্ড সেঞ্চুরি, জিম্বাবুয়েকে উড়িয়ে সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার জয়
- 1
‘বিগ বস বাংলা ৩’: বিতর্কের শীর্ষে অভিনেত্রী নন্দিনী দত্ত
- 2
এক মুহূর্তেই শেষ মেসির বিদায়ী ম্যাচের টিকিট
- 3
র্যাঙ্কিংয়ের ব্যবধান মাঠেও, মালয়েশিয়ার কাছে ৩–০ গোলে হার বাংলাদেশের
- 4
বিশ্বকাপ ব্যর্থতার পর নতুন ব্রাজিলের পরীক্ষা আজ, অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি আনচেলত্তির দল
- 5
হালান্ডের জোড়া গোলে ডেনমার্ককে হারিয়ে নরওয়ের নেশন্স লিগ জয়

হেডের রেকর্ড সেঞ্চুরি, জিম্বাবুয়েকে উড়িয়ে সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার জয়
হেডের রেকর্ড সেঞ্চুরি, জিম্বাবুয়েকে উড়িয়ে সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার জয়
ট্রাভিস হেডের ব্যাটে রেকর্ড গড়া সেঞ্চুরি, সঙ্গে মিচেল মার্শ ও কুপার কনোলির কার্যকর ইনিংস—সব মিলিয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বড় জয় পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। ৩৫৬ রানের বিশাল লক্ষ্য দেওয়ার পর জিম্বাবুয়েকে ৩০০ রানেও পৌঁছাতে দেয়নি অস্ট্রেলিয়ান বোলাররা।
হেডের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৩৫৬ রান সংগ্রহ করে অস্ট্রেলিয়া। জবাবে জিম্বাবুয়ের ইনিংস থেমে যায় ২৭০ রানে। ফলে বড় ব্যবধানে জয় নিয়ে সিরিজে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করেছে অস্ট্রেলিয়া।
৭৫ বলে হেডের রেকর্ড সেঞ্চুরি
অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসের মূল আকর্ষণ ছিলেন ট্রাভিস হেড। বাঁহাতি এই ওপেনার মাত্র ৭৫ বলে তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার কোনো ব্যাটারের দ্রুততম ওয়ানডে সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েছেন।
এর আগে এই রেকর্ড ছিল ম্যাট রেনশর দখলে। সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি করতে ৮৬ বল খেলেছিলেন রেনশ। মাত্র তিন দিন পরই তাঁর রেকর্ড পেছনে ফেললেন হেড।
শেষ পর্যন্ত ১১২ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন হেড। ৮৪ বলের ইনিংসে ছিল ১৫টি চার ও ৩টি ছক্কা। ১৩৩.৩৩ স্ট্রাইক রেটে খেলা এই ইনিংসের স্বীকৃতি হিসেবে ম্যাচসেরার পুরস্কারও পেয়েছেন তিনি।
হেডের সেঞ্চুরি মানেই অস্ট্রেলিয়ার জয়
হেডের জন্য আরও একটি বিশেষ পরিসংখ্যান যোগ হয়েছে এই ম্যাচে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের তিন সংস্করণ মিলিয়ে এটি তাঁর ২০তম সেঞ্চুরি। আর অবাক করার মতো বিষয় হলো, হেড যেসব ম্যাচে শতরান করেছেন, সেসব ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া কখনো হারেনি।
২০টি সেঞ্চুরির মধ্যে ১২টি এসেছে টেস্ট ক্রিকেটে এবং ৮টি ওয়ানডেতে। তাঁর সেঞ্চুরির ম্যাচগুলোর একটিতে অস্ট্রেলিয়া ড্র করেছে, আর বাকি সব ম্যাচেই পেয়েছে জয়।
৩৫৬ রানে অস্ট্রেলিয়ার রেকর্ড
হেডের সেঞ্চুরির পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন কুপার কনোলি ও অধিনায়ক মিচেল মার্শ। কনোলি করেন ৭৮ রান, আর মার্শের ব্যাট থেকে আসে ৫৩ রান। তাঁদের অবদানে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৩৫৬ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায় অস্ট্রেলিয়া।
জিম্বাবুয়ের বোলারদের মধ্যে ব্র্যাড ইভান্স সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন।
বড় লক্ষ্যেও জিম্বাবুয়ের লড়াই যথেষ্ট হয়নি
৩৫৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপের মধ্যে ছিল জিম্বাবুয়ে। অধিনায়ক সিকান্দার রাজার ৪৫ রানই ছিল দলের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহ। অস্ট্রেলিয়ার চার বোলার দুটি করে উইকেট নিয়ে জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং লাইনআপে নিয়মিত চাপ তৈরি করেন।
ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়ের ৩০০ বা তার বেশি রান তাড়া করার ইতিহাসও খুব সমৃদ্ধ নয়। ২০০১ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৩০৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৩০১ রান করেও মাত্র ১ রানে হেরেছিল তারা। এবারও অস্ট্রেলিয়ার বিশাল সংগ্রহ টপকানো সম্ভব হয়নি।
সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর হারারেতে অনুষ্ঠিত হবে। শেষ ম্যাচে ঘুরে দাঁড়িয়ে সিরিজে সমতা ফেরানোর সুযোগ এখন জিম্বাবুয়ের সামনে।














