চ্যাম্পিয়নস লিগে ইউনাইটেডের দাপুটে প্রত্যাবর্তন, ৫ গোলের বায়ার্ন ও কোমোর ইতিহাস
- 1
এক মুহূর্তেই শেষ মেসির বিদায়ী ম্যাচের টিকিট
- 2
মুশতাকের বিশ্বাস, ‘ভালো ক্রিকেট খেললে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল কেন নয়?’
- 3
‘বিগ বস বাংলা ৩’: বিতর্কের শীর্ষে অভিনেত্রী নন্দিনী দত্ত
- 4
র্যাঙ্কিংয়ের ব্যবধান মাঠেও, মালয়েশিয়ার কাছে ৩–০ গোলে হার বাংলাদেশের
- 5
বিশ্বকাপ ব্যর্থতার পর নতুন ব্রাজিলের পরীক্ষা আজ, অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি আনচেলত্তির দল

চ্যাম্পিয়নস লিগে ইউনাইটেডের দাপুটে প্রত্যাবর্তন, ৫ গোলের বায়ার্ন ও কোমোর ইতিহাস
চ্যাম্পিয়নস লিগে ইউনাইটেডের দাপুটে প্রত্যাবর্তন, ৫ গোলের বায়ার্ন ও কোমোর ইতিহাস
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ৪–০ সাবাহ
দুই মৌসুম পর চ্যাম্পিয়নস লিগে ফিরেই দাপুটে জয় পেয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ওল্ড ট্রাফোর্ডে আজারবাইজানের ক্লাব সাবাহ এফকেকে ৪–০ গোলে হারিয়ে ইউরোপের সেরা ক্লাব প্রতিযোগিতায় নিজেদের প্রত্যাবর্তন স্মরণীয় করে তুলেছে মাইকেল ক্যারিকের দল।
ইউনাইটেডের হয়ে গোল করেছেন মাতেউস কুনিয়া, ব্রুনো ফার্নান্দেজ, বেনইয়ামিন সেসকো ও লিসান্দ্রো মার্তিনেজ।
প্রিমিয়ার লিগে মৌসুমের শুরুটা অবশ্য খুব একটা ভালো হয়নি ‘রেড ডেভিল’দের। হাল সিটি, ইপসউইচ ও এভারটনের বিপক্ষে প্রথম তিন ম্যাচে তাদের সংগ্রহ মাত্র চার পয়েন্ট। তবে চ্যাম্পিয়নস লিগের নতুন দল সাবাহর বিপক্ষে শুরু থেকেই শক্তি ও দক্ষতার পার্থক্যটা স্পষ্ট করে দেয় ইউনাইটেড।
২৭ মিনিটে তরুণ ডিফেন্ডার প্যাট্রিক ডরগুর দুর্দান্ত ক্রস থেকে কাছ থেকে পা ছুঁইয়ে দলকে এগিয়ে দেন কুনিয়া। প্রথমার্ধের শেষ দিকে মাত্র তিন মিনিটের ব্যবধানে আরও দুই গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় স্বাগতিকরা।
টিলেমান্সের পাস ধরে ঠাণ্ডা মাথায় দ্বিতীয় গোলটি করেন অধিনায়ক ব্রুনো ফার্নান্দেজ। এরপর এমবেউমোর পাসে সাবাহর গোলরক্ষককে কাটিয়ে ব্যবধান ৩–০ করেন সেসকো।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আসে ইউনাইটেডের চতুর্থ গোল। ফ্রি-কিক থেকে তৈরি হওয়া আক্রমণ পরিষ্কার করতে গিয়ে ভুল করেন সাবাহর কাজাখ গোলরক্ষক পকাতিলেভ। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ফাঁকা জালে বল পাঠান আর্জেন্টাইন তারকা লিসান্দ্রো মার্তিনেজ।
সিটির বিপক্ষে রোববারের ম্যানচেস্টার ডার্বির আগে বড় এই জয় ক্যারিকের দলের জন্য আত্মবিশ্বাস বাড়ানোরও বড় সুযোগ হয়ে থাকল।
বায়ার্ন ৫–০ বোদো/গ্লিমট
ঘরের মাঠে বায়ার্ন মিউনিখও পেয়েছে বড় জয়। প্রথমার্ধে বোদো/গ্লিমটের জমাট রক্ষণে বারবার আটকে গেলেও বিরতির পর পুরোপুরি বদলে যায় ভিনসেন্ট কোম্পানির দল।
৪৭ মিনিটে জামাল মুসিয়ালার গোল দিয়ে শুরু হয় বায়ার্নের গোল-উৎসব। ৬০ মিনিটে হেডে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন হ্যারি কেইন। বায়ার্নের হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে এটি তাঁর ৩৯ ম্যাচে ৩৪তম গোল।
এর কিছুক্ষণ পর চোখধাঁধানো হাফ-ভলিতে স্কোরলাইন ৩–০ করেন আলফনসো ডেভিস। শেষ দিকে নিজের ব্যক্তিগত দক্ষতার ঝলক দেখিয়ে আরও দুই গোল করেন মাইকেল ওলিসে। ফলে বোদো/গ্লিমটকে ৫–০ গোলে উড়িয়ে দেয় ছয়বারের ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন।
কোমোর ইতিহাস, অভিষেকেই লাইপজিগকে হার
চ্যাম্পিয়নস লিগে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই ইতিহাস গড়েছে ইতালিয়ান ক্লাব কোমো। সেস্ক ফ্যাব্রেগাসের দল ঘরের মাঠে আরবি লাইপজিগকে ৪–১ গোলে হারিয়ে ইউরোপের অভিজাত মঞ্চে নিজেদের আগমন জানান দিয়েছে।
ঘরের মাঠে ম্যাচ আয়োজন করাটাও কোমোর জন্য ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ শেষ না হলে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে সাসসুয়োলোর মাঠে খেলতে হতো তাদের। শেষ পর্যন্ত নিজেদের স্টাদিও সিনিগালিয়ায় খেলার অনুমতি পেয়ে সেই সুবিধা পুরোপুরি কাজে লাগিয়েছে কোমো।
১৫ মিনিটে মার্তিন বাতুরিনার গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। এরপর তাসোস দুভিকাস ও আসানে দিয়াওয়ের গোলে ব্যবধান ৩–০ করে ফ্যাব্রেগাসের দল।
লাইপজিগের হয়ে অ্যান্ড্রিজা মাকসিমোভিচ একটি গোল শোধ করলেও ম্যাচের শেষ দিকে আবারও গোল পায় কোমো। যোগ করা সময়ে মাক্সিমো পেরোনে গোল করে দলের ৪–১ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করেন।
চ্যাম্পিয়নস লিগের এই রাতে তাই বড় তিনটি গল্প—দুই মৌসুম পর ইউনাইটেডের দাপুটে প্রত্যাবর্তন, বায়ার্নের পাঁচ গোলের উৎসব এবং কোমোর ঐতিহাসিক অভিষেক।












