৭০ রানের জুটি ভেঙে আফগানিস্তানকে চাপে ফেলল বাংলাদেশ. প্রথম পেসার হিসেবে টেস্টে হাসানের হ্যাটট্রিক
- 1
সাহিবজাদা-সাদাকাতের ঝড়ে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে পাকিস্তানের সিরিজে এগিয়ে যাওয়া
- 2
খাজার আত্মজীবনীতে কি ফিরবে স্যান্ডপেপার কেলেঙ্কারি? আপাতত চিন্তিত নন কামিন্স
- 3
মানবাধিকারের লড়াই থেকে নোবেল জয়, কে এই নাভি পিল্লাই?
- 4
টিভি সূচি: শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
- 5
ম্যারাডোনার চিকিৎসায় অবহেলা: চিকিৎসক দলের কারও ১২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড চায় রাষ্ট্রপক্ষ

৭০ রানের জুটি ভেঙে আফগানিস্তানকে চাপে ফেলল বাংলাদেশ. প্রথম পেসার হিসেবে টেস্টে হাসানের হ্যাটট্রিক
৭০ রানের জুটি ভেঙে আফগানিস্তানকে চাপে ফেলল বাংলাদেশ. প্রথম পেসার হিসেবে টেস্টে হাসানের হ্যাটট্রিক
আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের দ্বিতীয় দিনে বল হাতে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ। আব্দুল মালিক ও রহমত শাহর গড়ে তোলা ৭০ রানের জুটি ভেঙে আফগানিস্তানকে ধাক্কা দিয়েছেন পেসার ইবাদত হোসেন। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের করা ৩৪৬ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে আফগানরা।
দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশনে আফগানিস্তান ৪৫ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ১৩১ রান সংগ্রহ করে। তখনও বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের চেয়ে ২১৫ রানে পিছিয়ে ছিল তারা। আব্দুল মালিক ৬০ রানে এবং রহমত শাহ ৩৩ রানে অপরাজিত ছিলেন।
তবে মালিকের সঙ্গে রহমতের জুটি ভেঙে বাংলাদেশকে স্বস্তি এনে দেন ইবাদত। ৬২ রান করে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন আফগান ওপেনার। এর আগে হাসান মাহমুদ আফগানিস্তানের আরেক ওপেনার সেদিকউল্লাহ আতালকে আউট করেছিলেন। পরে শহিদুল্লাহকে ফিরিয়ে বাংলাদেশের পক্ষে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য এনে দেন ইবাদত; হাসান মাহমুদ নেন দুর্দান্ত ক্যাচ।
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩৪৬
এর আগে দ্বিতীয় দিনের সকালে ৮ উইকেটে ৩১৭ রান নিয়ে ব্যাটিং শুরু করে বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ৯২.৩ ওভারে ৩৪৬ রানে অলআউট হয় দলটি। দিনের শুরুতে অপরাজিত থাকা নাঈম হাসান ৩৫ রান করে অপরাজিত থাকেন।
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৮৩ রান করেন তানজিদ হাসান। সাদমান ইসলাম করেন ৬৭ রান, আর লিটন দাসের ব্যাট থেকে আসে ৫৩ রান। এ ছাড়া মুমিনুল হক ৩৯, নাজমুল হোসেন শান্ত ২৯ এবং মেহেদী হাসান মিরাজ ২৪ রান করেন।
আফগানিস্তানের হয়ে সেলিম চারটি এবং ইয়ামিন তিনটি উইকেট নেন।
স্পিনারদের উইকেটের অপেক্ষা
আফগানিস্তানের ইনিংসে প্রথম দুই উইকেটের পতন ঘটলেও বাংলাদেশের স্পিনাররা তখনও উইকেটের দেখা পাননি। মেহেদী হাসান মিরাজ, নাঈম হাসান ও তাইজুল ইসলামকে উইকেট পেতে অপেক্ষা করতে হচ্ছিল। অন্যদিকে, মালিক ও রহমত শাহ সাবলীল ব্যাটিং করে আফগানিস্তানের ইনিংস এগিয়ে নিচ্ছিলেন।
দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে ম্যাচে বাংলাদেশের লক্ষ্য ছিল দ্রুত আরও উইকেট তুলে নিয়ে আফগানিস্তানকে চাপে রাখা।
বাংলাদেশের দ্রুততম পেসার হিসেবে টেস্টে ৫০ উইকেট নিয়েছেন হাসান। পেসারদের মধ্যে এর আগে ৫০ উইকেটের কীর্তি আছে মাশরাফি বিন মুর্তজা (৭৮) ও তাসকিন আহমেদের (৫৯)। টেস্ট ইতিহাসে এটি ৫০তম হ্যাটট্রিক। চলতি বছরে টেস্টে এটাই প্রথম হ্যাটট্রিক।














