মক্কার মসজিদে ‘অনৈতিক কাজের’ অভিযোগ: সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
- 1
পাকিস্তানি ‘শেইদাই’ নকলের অভিযোগ নিলয়-হিমির নাটকের বিরুদ্ধে
- 2
দ্রাবিড়পুত্র অন্বয়ের ১৫১, শেবাগপুত্র আর্যবীরের ১৭৩—যুব ক্রিকেটে তারকাদের উত্তরসূরিদের দাপট
- 3
মেসি-পরবর্তী যুগ শুরু, আর্জেন্টিনার দুই প্রতিপক্ষ ঘোষণা
- 4
ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব নিয়ে ফিফায় অসন্তোষ, বিকল্প সভাপতি প্রার্থী খুঁজছেন ইউরোপীয় কর্মকর্তারা
- 5
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ইতিহাস: UCL জয়, সাফল্য ও সব ট্রফির তালিকা

মক্কার মসজিদে ‘অনৈতিক কাজের’ অভিযোগ: সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
মক্কার মসজিদে ‘অনৈতিক কাজের’ অভিযোগ: সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
মক্কা অঞ্চলে গত ১৪ অক্টোবর দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে সৌদি আরব। তাঁদের বিরুদ্ধে একটি মসজিদের ভেতরে ‘অনৈতিক কাজের’ অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার কথা জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। তবে কী ধরনের কাজের অভিযোগে তাঁদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি।
সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশি হলেন নাজেরুল ইসলাম আব্দুল বশির (Nazerul Islam Abdul Basir) ও সিতি আক্তার (Siti Akhtar)।
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ১৪ অক্টোবর প্রকাশিত এক বিবৃতির বরাতে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) তাঁদের পরিচয় নিশ্চিত করেছে। সংবাদমাধ্যমদ্য ডেইলি স্টার–এর প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।
মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে জানানো হয়নি বাংলাদেশ কনস্যুলেটকে
জেদ্দায় বাংলাদেশের কনস্যুলেট জেনারেল জানিয়েছে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে সৌদি কর্তৃপক্ষ তাদের এ বিষয়ে অবহিত করেনি। বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করার অনুরোধ জানিয়ে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে একটি কূটনৈতিক নোটও পাঠিয়েছে বাংলাদেশ মিশন।
দ্য ডেইলি স্টারকে হোয়াটসঅ্যাপে দেওয়া এক বার্তায় মিশনের এক কর্মকর্তা বলেন, সৌদি মন্ত্রণালয় আগে থেকে কনস্যুলেটকে বিষয়টি জানায়নি। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি চেয়ে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে নোট ভারবাল পাঠানো হয়েছে।
তদন্তের পর আদালতে পাঠানো হয়
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি অনুযায়ী, দেশটির নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ তদন্তের পর দুই বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনে। পরে তাঁদের সংশ্লিষ্ট আদালতে পাঠানো হয়।
মন্ত্রণালয় জানায়, আদালত অভিযোগ প্রমাণিত বলে বিবেচনা করে ইসলামী আইনের অধীনে ‘তাআজির’ বিধান অনুযায়ী তাঁদের মৃত্যুদণ্ড দেন। এ ক্ষেত্রে অপরাধের গুরুতরতা এবং সময় ও স্থানের পবিত্রতা লঙ্ঘনের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের পর রায়টি চূড়ান্ত হয় এবং তা কার্যকরের জন্য রাজকীয় আদেশ জারি করা হয়। এরপর ১৪ অক্টোবর মক্কা অঞ্চলে তাঁদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

অভিযোগের বিস্তারিত প্রকাশ করেনি সৌদি কর্তৃপক্ষ
সৌদি কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে ‘অনৈতিক কাজের’ কথা বলা হলেও ঠিক কী ধরনের কাজের অভিযোগ আনা হয়েছিল, তা স্পষ্ট করা হয়নি। কোন মসজিদে ঘটনাটি ঘটেছিল কিংবা দুই বাংলাদেশিকে কবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, সে সম্পর্কেও বিস্তারিত জানানো হয়নি।
সূত্র:দ্য ডেইলি স্টার











