রাজমুকুট প্রত্যাখ্যান করে ফুটবল মাঠেই থেকে গেলেন গোলকিপার জর্জ কামুরাসি
- 1
তদন্তের জালে রিজওয়ান, ফোন জব্দ থেকে মিডিয়া নিষেধাজ্ঞা—কোথায় গিয়ে থামবে ঘটনা?
- 2
‘সিটির অর্জন কেউ কেড়ে নিতে পারবে না’, সাবেক ক্লাবের পাশে রদ্রি
- 3
নিখোঁজ মেয়েকে খুঁজতে গিয়ে খুলে যায় পরিবারের অন্ধকার রহস্য, কেমন হলো নেটফ্লিক্সের ‘Run Away’?
- 4
কৃত্রিম টার্ফের শঙ্কায় বিশ্রাম: দক্ষিণ সুদানের বিপক্ষে খেলছেন না সালাহ
- 5
২০২৭ বিশ্বকাপই ভারতের হয়ে শেষ বিশ্বকাপ, জানিয়ে দিলেন কোহলি

রাজমুকুট প্রত্যাখ্যান করে ফুটবল মাঠেই থেকে গেলেন গোলকিপার জর্জ কামুরাসি
রাজমুকুট প্রত্যাখ্যান করে ফুটবল মাঠেই থেকে গেলেন গোলকিপার জর্জ কামুরাসি
ইংল্যান্ডের নবম স্তরের ফুটবল ক্লাব এসই ডনসের গোলকিপার ও অধিনায়ক জর্জ ডেসমন্ড কামুরাসি উগান্ডার ঐতিহ্যবাহী তোড়ো রাজ্যের রাজা হওয়ার এক বিরল প্রস্তাব পেয়েছিলেন। কিন্তু রাজসিংহাসনের বদলে নিজের বর্তমান জীবন ও ফুটবলকেই বেছে নিয়েছেন ৩৬ বছর বয়সী এই গোলকিপার।
রাজসিংহাসনের প্রস্তাব ও প্রত্যাখ্যান
রয়টার্স ও পালস উগান্ডার সংবাদ অনুযায়ী, তোড়ো রাজ্যের প্রয়াত রাজা ওয়ো নাইমবা কাবাম্বা ইগুরু রুকিদি চতুর্থের চাচাতো ভাই হলেন কামুরাসি। গত ২৭ আগস্ট ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মাত্র ৩৪ বছর বয়সে রাজা ওয়ো মারা যাওয়ার পর, রয়্যাল সাকসেশন কমিটির প্রথম পছন্দ ছিলেন কামুরাসি। তবে কমিটির সদস্য ফাদার ড. চার্লস ওয়ো জানান, ব্যক্তিগত অন্যান্য দায়িত্বের কারণে কামুরাসি রাজা হওয়ার প্রস্তাবটি ফিরিয়ে দেন। তাঁর সরে দাঁড়ানোর পর সাবেক টেলিভিশন সংবাদ উপস্থাপক প্রিন্স এডওয়ার্ড রুকিদি কিজানাঙ্গোমাকে রাজ্যের নতুন রাজা হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
ফুটবল ক্যারিয়ারেই মনোযোগ
৬ ফুট ৬ ইঞ্চি উচ্চতার কারণে ‘বিগ জি’ নামে পরিচিত কামুরাসি এসই ডনসের একজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। তাঁর ক্লাবটি এবার প্রথমবারের মতো এফএ কাপে অংশ নিচ্ছে। সম্প্রতি এরিথ টাউনকে ২-০ গোলে হারিয়ে তারা দ্বিতীয় বাছাইপর্বে জায়গা করে নিয়েছে। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর চিচেস্টার সিটির বিপক্ষে তাদের পরবর্তী ম্যাচ। সিংহাসনের বদলে আপাতত এই ম্যাচ এবং ক্লাবের দিকেই পূর্ণ মনোযোগ কামুরাসির।
উগান্ডার রাজপরিবারের পটভূমি
উগান্ডায় নির্বাচিত সরকার ও প্রেসিডেন্ট ব্যবস্থা চালু থাকায় তোড়ো রাজ্যের রাজার সরাসরি কোনো নির্বাহী বা শাসনতান্ত্রিক ক্ষমতা নেই। তবে তোড়োসহ উগান্ডার বেশ কয়েকটি ঐতিহ্যবাহী রাজপরিবারের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব এখনো অপরিসীম।












