Image

ডোসায় মৃত ইঁদুরের অভিযোগ, এরপরই ২৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ—মুম্বাইয়ে চাঞ্চল্য

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ : 1 ঘন্টা আগেআপডেট: 14 মিনিট আগে
ডোসায় মৃত ইঁদুরের অভিযোগ, এরপরই ২৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ—মুম্বাইয়ে চাঞ্চল্য

ডোসায় মৃত ইঁদুরের অভিযোগ, এরপরই ২৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ—মুম্বাইয়ে চাঞ্চল্য

ডোসায় মৃত ইঁদুরের অভিযোগ, এরপরই ২৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ—মুম্বাইয়ে চাঞ্চল্য

মুম্বাইয়ের একটি খাবারের দোকানে ডোসার ভেতর মৃত ইঁদুর পাওয়ার অভিযোগকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল তীব্র বিতর্ক। কিন্তু ঘটনার কয়েক দিন পরই মামলায় আসে নতুন মোড়। রেস্তোরাঁ মালিকের অভিযোগ, ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাঁর কাছে ২৫ লাখ রুপি দাবি করা হয়। পরে পুলিশের ফাঁদে দুই নারী আটক হয়েছেন। 

ডোসায় ইঁদুর, ভাইয়ের বমির অভিযোগ

ঘটনাটি মুম্বাইয়ের বোরিভলির রাধাকৃষ্ণ হোটেলে। ২৪ সেপ্টেম্বর ম্যানসি অচর্য নামে এক নারী কয়েকজনের সঙ্গে সেখানে খাবার খেতে যান। তাঁদের অর্ডার করা মাইসোর মসালা ডোসার মধ্যে ছোট একটি মৃত ইঁদুর পাওয়া যায় বলে অভিযোগ ওঠে।

অভিযোগ অনুযায়ী, তাঁর ভাই ডোসার কয়েক কামড় খাওয়ার পর ইঁদুরটি দেখতে পান। এতে তিনি অসুস্থ হয়ে বমি করেন। পরে বিষয়টি বোরিভলি থানায় জানানো হয়। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। 

হোটেলের লাইসেন্সও স্থগিত

ঘটনাটি সামনে আসার পর মহারাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (FDA) হোটেলটির লাইসেন্স স্থগিত করে। ২৮ সেপ্টেম্বর এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়। 

এরপরই হোটেল মালিকের দাবি, তাঁকে ভিডিওটি আবার ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে অর্থ দাবি করা শুরু হয়।

২৫ লাখ থেকে কমে ৭ লাখ!

পুলিশের অভিযোগ অনুযায়ী, দুই নারী হোটেল মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে ২৫ লাখ রুপি দাবি করেন। তাঁদের দাবি ছিল, টাকা না দিলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ভিডিওটি ফের ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

পরে দর-কষাকষির মাধ্যমে দাবিকৃত অর্থ কমে ৭ লাখ রুপিতে আসে বলে পুলিশ জানিয়েছে। মালিক প্রথমে ১ লাখ রুপি দেন এবং পরে পুলিশের দ্বারস্থ হন। 

এরপর পুলিশের পরিকল্পনা অনুযায়ী বাকি ৬ লাখ রুপি নিতে ওই নারীদের ডাকা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, টাকা নিতে এলে পুলিশ তাঁদের আটক করে। দুই নারীর বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (BNS) ৩০৮(২) ও ৩(৫) ধারায় মামলা হয়েছে। 

আসলে ডোসায় ইঁদুর কীভাবে এল?

ঘটনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটির উত্তর এখনও মেলেনি। ডোসায় সত্যিই ইঁদুর কীভাবে এল—রেস্তোরাঁর অবহেলার কারণে, নাকি অন্য কোনোভাবে—তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।

অর্থাৎ, চাঁদা দাবির অভিযোগে দুই নারী আটক হলেওডোসায় ইঁদুর পাওয়ার মূল ঘটনার সত্যতা ও এর পেছনের পরিস্থিতিও এখনও তদন্তাধীন। তাই কোনো পক্ষকেই চূড়ান্তভাবে দোষী সাব্যস্ত করার সময় আসেনি। 

ঘটনাটি এখন মুম্বাইয়ে খাদ্যনিরাপত্তা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল ভিডিও এবং কথিত চাঁদাবাজি—তিনটি বিষয়কে একসঙ্গে সামনে নিয়ে এসেছে।

Details Bottom
Details ad One
Details Two
Details Three